কাজী সালাউদ্দিন বাফুফে সভাপতি হওয়ার পর থেকেই বিশ্বমানের ফুটবল একাডেমির স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। ফিফার অর্থায়নও পেয়েছিলেন। সিলেটে বাফুফে একাডেমি বেশি দিন চলেনি। গত বছর রাজধানীর বেরাইদে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু করলেও বেশি দিন চলেনি। অবশেষে আবার কমলাপুর স্টেডিয়ামে একাডেমির যাত্রা শুরু হচ্ছে। লকডাউন খুলে যাওয়ায় গতকাল ৪৭ জন ফুটবলার কমলাপুর স্টেডিয়ামের ডরমিটরিতে উঠেছে। আজ করোনা পরীক্ষা শেষে ১৬ আগস্ট থেকে অনুশীলন শুরু হবে।
সারা দেশ থেকে বাছাই করা ফুটবলারদের মধ্যে ৪৭ জন এতে জায়গা পেয়েছেন। বাছাই প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকা সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও বাফুফে গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাছাই খুব ভালো হয়েছে। শারীরিক, মানসিক ও ফুটবল স্কিল বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এরা ভালো কিছু করবে।’ ৪৭ জনের মধ্যে ৪ জন গোলরক্ষক। ফুটবলাররা অনেক স্বপ্ন নিয়ে আসেন। বাফুফে মাঝপথে ক্যাম্প বন্ধ করায় তারা পড়ে যান অথৈ সাগরে। ফুটবল শিক্ষার পাশাপাশি একাডেমিক পড়াশোনাও হবে কমলাপুরে।