ঘরোয়া ক্রিকেটও নেই, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও নেই। টি-টোয়েন্টিতে খেলা ক্রিকেটাররা বাদে বাকিদের বসে থাকার অবস্থা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাই ক্রিকেটারদের কথা চিন্তা করে প্রায় মাসব্যাপী অনুশীলন ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। চট্টগ্রামে ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্প। এ দল এবং হাই-পারফরম্যান্স দলে ভাগ হয়ে যাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। শুধু অনুশীলনই নয়, নিজেদের মধ্যে তিনটি একদিনের এবং দুটি চারদিনের ম্যাচও খেলবে এ দল এবং এইচপি দল। নভেম্বরে পাকিস্তান সিরিজের আগে ব্যস্ততা না থাকায় জাতীয় দলের লাল বলে খেলা ক্রিকেটাররা থাকবেন এ দলে। আর এইচপি দলে যুব বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটারসহ গত ডিপিএলের ভালো পারফরমাররা।
অনুশীলন ক্যাম্পের জন্য গতকালই এইচপি দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। তাতে যুব বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটাররাই বেশি। এছাড়া নিকট অতীতে এইচপি দলে থাকা ক্রিকেটাররাও আছেন। নতুন সুযোগ পেয়েছেন ডিপিএলে আবাহনীর হয়ে খেলা ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার ও প্রাইম দোলেশ্বরের ওপেনার ইমরানুজ্জামান। এ দল ঘোষণা করা হয়নি এখনো। তবে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানান দল হবে ১৮ সদস্যের। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২, ৪ ও ৬ সেপ্টেম্বর তিনটি একদিনের ম্যাচ হবে। একই মাঠে ৯-১২ সেপ্টেম্বর এবং ১৫-১৮ সেপ্টেম্বর হবে দুটি চারদিনের ম্যাচ।
এইচপি এবং এ দল নিয়ে ব্যস্ততা শুরু হলেও গত বোর্ড মিটিং শেষে ঘোষণা করা ‘বাংলাদেশ টাইগার্স’ নিয়ে অবশ্য কিছু জানায়নি বিসিবি। জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের অনুশীলন সুবিধা দেওয়ার জন্যই এ দলটি তৈরি করা হয়। এইচপি এবং এ দলের বাইরের ক্রিকেটার আছেন বাংলাদেশ টাইগার্সে। তবে দলটির কার্যক্রম আটকে আছে ইনডোরসহ অনুশীলন সুবিধা সংবলিত মাঠ না থাকায়।