আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর অবশিষ্ট একমাত্র ঘাঁটি বাল্খ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফের দখল নিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। বাল্খ প্রদেশে তালেবান বিরোধী মিলিশিয়াদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
এর মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের সবগুলো বড় শহরে তালেবান যোদ্ধারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। খবর আলজাজিরা ও খামা প্রেস।
সেনাদের মনোবল বাড়াতে এবং স্থানীয় মিলিশিয়া কমান্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করতে কয়েক দিন আগে এই শহরে গিয়েছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি।
খামা প্রেস জানিয়েছে, কুখ্যাত যুদ্ধবাজ মার্শাল আবদুর রশিদ দোস্তুম ও তাজিক মিলিশিয়া কমান্ডার আতা মোহাম্মদ নুর নিজেদের সন্তান ও যোদ্ধাদের নিয়ে মাজার-ই-শরিফ থেকে সীমান্তবর্তী দেশ উজবেকিস্তানে পালিয়ে গেছেন।
দোস্তুমের ফাঁকা বাড়িতে তালেবান যোদ্ধাদের ঘুরে বেড়ানোর ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা গেছে।
নিজের ফেসবুকে আতা মোহাম্মদ নুর মাজার-ই-শরিফের পতনের জন্য আফগান সেনাবাহিনীর বিশ্বাসঘাতকতাকে দায়ী করেছেন।
তার দাবি, তাকে এবং মার্শাল দোস্তুমকে আত্মসমর্পণ করাতে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।
এর আগে এই মিলিশিয়া কমান্ডার বলেছিলেন, তারা কখনো তালেবানের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন না। তাকে এই প্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করতে পারে সে ক্ষমতা নেই তালেবানের।
মার্শাল দোস্তুম বলেছিলেন, মাজার-ই-শরিফ আফগানিস্তানের দরজা এবং তারা কখনো এই শহরের পতন হতে দেবেন না।
আফগান ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে এখন ২৫টিই তালেবান যোদ্ধাদের দখলে। এখন একমাত্র কাবুলই গুরুত্বপূর্ণ শহর যা সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।