জ্যামাইকায় আজ থেকে শুরু দ্বিতীয় টেস্টও জিততে পারলে ২১ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতবে উইন্ডিজ। সর্বশেষ তারা পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে হারিয়েছিল ২০০০ সালে।
জ্যামাইকাতে প্রথম টেস্টে দারুণ নাটকীয় জয় পেয়েছে উইন্ডিজ। কেমার রোচের ব্যাটিং দৃঢতায় ১ উইকেটে জিতেছে তারা। জেইডন সিলস দেশের হয়ে ৭১ বছরের পুরনো এক রেকর্ড ভেঙেছেন। আলফ ভ্যালেন্টাইনের পর সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন। স্যাবাইনা পার্কের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানি বোলাররাও দারুণ বোলিং করেছেন। মূলত ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা মুছে তারাই দলকে ম্যাচে ফেরান। প্রায় জিতেও গিয়েছিল। শাহীন শাহ আফ্রিদীর বলে ১৬ রানে রোচের ক্যাচটা ধরতে পারলে পাকিস্তানই জিতত। বোলারদের এমন পারফরম্যান্স দেখে গর্বিত ওয়াকার ইউনুস। প্রথম টেস্টের প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘টেস্ট ম্যাচের এরচেয়ে ভালো বিজ্ঞাপন আর হতে পারে না। শেষ পর্যন্ত একটা দলকে তো হারতেই হয়। ক্যাচ ড্রপ করার কারণেই আমরা হেরেছি। এত সুযোগ নষ্ট করলে ভালো কিছু আশা করা যায় না।’ ফাস্ট বোলারদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের ফাস্ট বোলাররা দারুণ করেছে। বল দারুণ সুইং করেছে। সেখানে ব্যাটিং করা মোটেই সহজ ছিল না। আমার তো মনে হয় বোলাররা টেস্ট প্রায় জিতিয়েই দিয়েছিল।’ চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ফেবারিট হিসেবে টেস্ট সিরিজ শুরু করেছিল পাকিস্তান। তারা ২০১৭ সালে নাটকীয়ভাবে ২-১-এ টেস্ট সিরিজ জিতেছিল উইন্ডিজের মাটিতে। উইন্ডিজের কোচ ফিল সিমন্স অবশ্য নিজের দলকে আন্ডারডগ বলেছিলেন। প্রথম টেস্টের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ক্যারিবিয়ান সফরে যে পাকিস্তান দলই আসে তাদের সঙ্গে আমাদের দারুণ লড়াই হয়। শেষ দুই সিরিজে তারা দারুণ খেলেছে। নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আমরা শেষ সিরিজে ভালো করতে পারিনি। তাই বলতেই হচ্ছে এই সিরিজ আমাদের জন্য কঠিন হবে। এতটাই কঠিন যে ঘরের মাঠ হওয়া সত্ত্বেও আমরা এই সিরিজে আন্ডারডগ।’