রিমান্ডে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়াসহ তিনজন

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ শপের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ তিনজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ১১শ’ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি হলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ।

‘মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য’ সোমবার সোনিয়া দম্পতিসহ তিনজনের দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

১৬ আগস্ট ই-অরেঞ্জ শপের বিরুদ্ধে ১১শ’ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন তাহেরুল ইসলাম নামে এক ভুক্তভোগী। মামলায় তিনি ই-অরেঞ্জের পাঁচ কর্মকর্তাসহ সব মালিককে আসামি করেছেন। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

গত ২৮ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়, যা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের পর ই-অরেঞ্জ কোম্পানির ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিল। ভুক্তভোগীরা ই-অরেঞ্জের অফিসে গিয়ে ডেলিভারি দেওয়ার কথা বললে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তারা ও মালিকপক্ষ জানান কিছুদিনের মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো পণ্য ডেলিভারি না করে এক লাখ ভুক্তভোগীর ১১শ’ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আরও বলা হয়, করোনাকালীন ভুক্তভোগীদের কষ্টার্জিত অর্থের নিশ্চয়তা না দিয়ে ই-অরেঞ্জ তাদের মালিকানা পরিবর্তনের নামে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে। নতুন মালিক ও পুরোনো মালিকের কোনো তথ্য ভুক্তভোগীদের সামনে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এ ছাড়া আসামিরা সব ধরনের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ করে গাঢাকা দিয়েছে।