জনতার দুশমন হয়ে ফিরছে স্পাইডার-ম্যান

গণরোষের কবলে পড়েছে টিনেজ সুপারহিরো স্পাইডার-ম্যান। রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে তাকে ‘পাবলিক এনিমি’ বা গণশত্রু ঘোষণা করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে। এর মধ্যে বাড়ি ফেরারও পথ নেই।

এ সব তথ্য মার্ভেল কমিকসের হাইস্কুল সুপারহিরোর নতুন ছবির ট্রেলার থেকে পাওয়া, যার নাম ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’।

অবশ্য সুপারহিরোকে গণশত্রু ঘোষণা এ প্রথম নয়। এর আগে স্পাইডি হিসেবে টম হল্যান্ডের অভিষেক ছবি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’-এ একদল সুপারহিরোর বিরুদ্ধে জনগণ ক্ষেপে যায়। বা ডিসির ‘সুপারম্যান ভার্সেস ব্যাটম্যান: ডন অব জাস্টিস’ ছবিতে সুপারম্যানকে ‘ডেভিল’ বলে উল্লেখ করে বিক্ষোভকারীরা।

কয়েক দিন ধরে ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ট্রেলার ফাঁস নিয়ে ঘটেছে নানান কাণ্ড। এবার সনি পিকচার্স প্রকাশ করেছে অফিশিয়াল ট্রেলার। সেখানে দুর্দান্ত একটি গল্পের ধারণা দেওয়া হয়। সঙ্গে থাকছে তাক লাগিয়ে দেওয়া অ্যাকশন।

রিবুট সিরিজের আগের দুই পর্বের মতো এবারও পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন জন ওয়াটস। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)-এর চতুর্থ পর্যায়ে অংশ হিসেবে ছবিটি মুক্তি পাবে ১৭ ডিসেম্বর।

‘নো ওয়ে হোম’-এ পিটার পার্কারের বান্ধবী এমজে চরিত্রে ফিরছেন জেনডায়া, আন্ট মে হচ্ছেন মারিসা তোমেই। আর এটা আগে থেকে জানা ছিল এ ছবির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে যাচ্ছেন ডক্টর স্ট্রেঞ্জ চরিত্রের বেনেডিক্ট ক্যাম্বারব্যাচ। আর বড় দুটি চমক হলো ইলেক্টা চরিত্রে জেমি ফক্স ও ২০০৪ সালের ‘স্পাইডার-ম্যান টু’ থেকে ডক্টর অক্টোপাস চরিত্রে আলফ্রেড মলিনার দুর্দান্ত আগমন। অক্টোপাস চরিত্রটি স্যাম রাইমির ছবিতে মারা গেলেও বোঝা যাচ্ছে সময় পরিভ্রমণের কিছু বিষয় এ কিস্তিতে যোগ হয়েছে। অবশ্য ডক্টর স্ট্রেঞ্জের উপস্থিতি তার বড় একটি প্রমাণ।

২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’ ছিল এ সিরিজে টম হল্যান্ডের প্রথম একক সিনেমা। যা আয় করে ৮৮ কোটি ডলার। ২০১৯ সালে মুক্তি পায় ‘ফার ফ্রম হোম’। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ পরবর্তী এ ছবির আয় ছিল ১১০ কোটি ডলারেরও বেশি।