আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাককেঞ্জি এ কথা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সিএনএন বলেছে, ‘খুব শিগগিরই’ ফের হামলা হতে পারে। রকেট হামলা, গাড়িবোমা হামলা কিংবা শরীরে বিস্ফোরক বেল্ট বেঁধে হামলা চালানো হতে পারে।
ম্যাককেঞ্জি বলেন, এ ধরনের হামলা বন্ধে তালেবানদের সঙ্গে মার্কিন বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। তালেবান ইতোমধ্যেই অনেক হামলায় বাধা দিয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরের আবি গেইটে জোড়া আত্মঘাতী হামলা চালায় আইএস। এতে ১৩ মার্কিন সেনা ও ২৮ তালেবান সদস্যসহ ৯০ জন নিহত হন। আহত হন দেড় শতাধিক।
এমন হামলার বিষয়ে গত কয়েক দিন ধরেই সতর্ক করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র, তাদের মিত্র দেশগুলো এবং তালেবান।
এই হামলার কারণে ৩১ আগস্ট সময়সীমার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার অভিযান বেশ জটিল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে কাবুল বিমানবন্দরে ৫ হাজার ৮০০ মার্কিন সেনা এবং ১ হাজার ব্রিটিশ সেনা রয়েছেন।
এখন পর্যন্ত আফগানিস্তান থেকে ১ লাখ ৪ হাজার বেসামরিক নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৬৬ হাজার জনকে যুক্তরাষ্ট্রে এবং ৩৭ হাজার জনকে বিভিন্ন মিত্র এবং অংশীদার দেশে পাঠানো হয়েছে।
বিবিসি জানায়, এখনো প্রায় ৫ হাজার মানুষ বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। আরও অনেকে তল্লাশি চৌকি পার হওয়ার চেষ্টা করছেন।
ইতোমধ্যে কানাডা, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং ডেনমার্কসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের প্রত্যাহার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। আরও কয়েকটি দেশ সে পথেই হাঁটছে।