মাদক মামলায় কারাগারে আছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তাকে গত ৪ আগস্ট বনানীর বাসা থেকে মাদকসহ আটক করে র্যাবের একটি দল। এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানাভাবে পরীমণিকে আটকের প্রতিবাদ করে আসলেও শিল্পী সমিতি তার সদস্যপদ স্থগিত করা ছাড়া এ নিয়ে কোনো কথা বলেনি। আর পরিচালক সমিতি কোনো শব্দও করেনি। অবশেষে ২৫ দিন পর বা প্রায় এক মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে পরিচালক সমিতি।
সমিতির বিবৃতিতে অবিলম্বে পরীমণিকে জামিন দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একসঙ্গে তারা দাবি করেছে পরীর সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলছেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ঘটনার সত্যতা না জেনে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকে। চেষ্টা সত্ত্বেও পরীমণির বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আর পরীমণি বড় শিল্পী হওয়ায় সত্য-মিথ্যা খুঁজে বের করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা সমিতিগতভাবে পরিষ্কার জানাতে চাই, পরীমণি আমাদের প্রিয় শিল্পী। তার গ্রেপ্তারে বাড়াবাড়ি করা হয়েছে। জামিন পেলে তিনি পালিয়ে যাবেন বলে একজন আইনজীবী পত্রিকায় যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক নয়। পরীমণি আমাদের দেশের জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি যে মামলার আসামি তাতে তাকে জামিন দিয়ে এটি পরিচালনা হতে পারে। তিনি দোষী নাকি নির্দোষ তা আদালতে প্রমাণ হবে। কিন্তু জামিন পাওয়ার আইনি এখতিয়ার পরীর আছে। সুতরাং আমরা মনে করি, পরীমণিকে অবিলম্বে জামিন দিয়ে সত্য-মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হোক। তার প্রতি সুবিচার হোক।’
এদিকে এত দিন পরে কেন এমন বিবৃতি দিল পরিচালক সমিতি? এমন প্রশ্নের জবাবে সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘আমরা এ সময় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। ঘটনার সত্য মিথ্যে যাচাই করার চেষ্টা করেছি। এরপর সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা চাই তার যে মামলা তাতে তাকে জামিন দিয়ে বিচার করা হোক।’