জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম পরিবর্তনের দাবিতে নগরের কাজির দেউড়ি পার্কের সামনে মানববন্ধন করেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরাম।
মঙ্গলবার দুপুরে কাজির দেউড়ি এলাকার জিয়া জাদুঘরের সামনে এ মানববন্ধনে সংগঠনের সহ সভাপতি মোশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিতে নির্মিত জাদুঘরের নাম দেশদ্রোহী পাকিস্তানি এজেন্ট জিয়ার নামে হতে পারে না। এমন একজন খুনির নামে কোনো স্থাপনা চট্টগ্রামের মাটিতে রেখে ইতিহাসের কাছে অপদস্থ হতে বীর চট্টলার মানুষ চায় না। অবিলম্বে এ জাদুঘরের নাম পরিবর্তন করে ‘মহান মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি জাদুঘর’ নামকরণ করা হোক।
বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার মহেন্দ্র সময়ে জিয়া পাকিস্তানি অনুচর হিসেবে কাজ করেন, যুদ্ধকালীন এই খুনির সম্মুখযুদ্ধের কোনো ইতিহাস নেই, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর বদান্যতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন, পাকিস্তানি রাষ্ট্র কায়েমের স্বপ্নে বিভোর হয়ে জিয়া সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরবর্তী সময়ে জিয়া বিদেশি প্রভু রাষ্ট্রের আশীর্বাদে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পুরস্কার স্বরূপ পদায়ন করেন।
জাহিদুল হক প্রমি ও এস,এম আল আমিন বাবুর যৌথ সঞ্চালনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য রাজেশ বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সহসভাপতি সৌমেন বড়ুয়া কোতোয়ালি থানা যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক, উপ সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. বিন ফয়সালসহ আরো অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে গড়ে তোলা জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপন করেন।