মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির পাল্টা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেছেন ৮০ ও ৯০ দশকের ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের চারণ সাংবাদিক সফিউদ্দিন আহমেদ মিলনায়তনে ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ, সংবাদ সম্মেলনে ২৬ সদস্যের এই পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মো. রফিকুল ইসলাম মাসুম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান শ্যামলের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তৃতা রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, জেলা ছাত্রদল ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের একাধিকবারের সাবেক ভিপি তারিক কাশেম খান মুকুল, সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মিয়া মো. বাবুল সরকার প্রমুখ।

লিখিত বক্তৃতায় মো. রফিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, ২০১৭ সালে আব্দুল হাইকে সভাপতি ও কামরুজ্জামান রতনকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপির সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও ‘সুপার সেভেন’ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি।

তিনি আরো বলেন, আবারও সেই ব্যর্থ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে যথাক্রমে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব করে ৫৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট কেন্দ্রীয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কমিটি অনুমোদন করেছেন । তবে, অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে জেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দকে কোথাও রাখা হয়নি ।

জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাইদুর রহমান, জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক  কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

এ সময় তিনি রফিকুল ইসলাম মাসুমকে আহ্বায়ক ও মিয়া মো. বাবুল সরকারকে সদস্যসচিব করে জেলা বিএনপির ২৬ সদস্যের পাল্টা আহ্বায়ক  কমিটি ঘোষণা করেন। পাল্টা এ কমিটিতে চারজন যুবদলের ও সাত বিএনপির নেতাসহ ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দকে রাখা হয়েছে।