অবিশ্বাস্য রেকর্ডের আনন্দে শিহরিত রোনালদো

রোনালদোর গোলগুলো : কখন এবং কীভাবে

স্কোরিং : ডান পায়ে ৫৯ গোল। বাম পায়ে ২৫ গোল। হেডে ২৭ গোল।

গোলের সময় : ১-১৫ মিনিট ১০ গোল। ১৬-৩০ মিনিট ১৬ গোল। ৩১-৪৫+ মিনিট ১৭ গোল। ৪৬-৬০ মিনিট ১২ গোল। ৬১-৭৫ মিনিট ২২ গোল। ৭৬-৯০+ মিনিট ৩৪ গোল।

সরাসরি ফ্রি কিক : ১০ গোল। এই ফ্রি কিকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দর্শনীয় ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে করা ফ্রি কিকটি।

ফুটবলে রোনালদোর ১৮ বছর

স্পোর্টিং লিসবনের লিকলিকে শরীরের এক উইঙ্গার হিসেবে শুরু ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দস সান্তোস আভেরার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে উঠলেন অবিশ্বাস্য এক গোলস্কোরিং মেশিন। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্তাসে ছুটেছেন একই গতিতে। দীর্ঘ সময়ে জাতীয় দলের জার্সিতেও দারুণ ধারাবাহিক রোনালদো। ২০০৩ সালে ১৮ বছর

বয়সে কাজাখস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের হয়ে অভিষিক্ত রোনালদো অষ্টম ম্যাচে এসে প্রথম গোল পান, ২০০৪-এর ১২ জুন ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে, গ্রীসের বিপক্ষে। সেই থেকে দেশের হয়ে এক বর্ষপঞ্জিতে ৬.৪৭ গোল করে আসছেন। এক বছরে রোনালদোর সবচেয়ে বেশি গোল ২০১৯-এ ১৪টি। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি লিথুয়ানিয়ার বিপক্ষে শুরুতে ৪ এবং দ্বিতীয় লেগে হ্যাটট্রিক করেন সে বছর। বয়স যেন রোনালদোর কাছে একটি সংখ্যা মাত্র।

যতই বুড়ো হচ্ছেন ততই গোলের ক্ষুধা বাড়ছে তার। তাই ২০১৫ সালে ৩০ বছরে পা দেওয়ার পর থেকে

মাত্র ৬২ ম্যাচেই করেছেন ৫৯ গোল। আগের ৫২ গোল করতে তার লাগে ১১৮ ম্যাচ।

প্রথমার্ধে ৪৩ গোল, দ্বিতীয়ার্ধে ৬৮ গোল

মাত্র ১৪টি : রোনালদোর স্কোরিং সামর্থ্য নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তাদের জন্য চমকপ্রদ এক তথ্য থাকছে। ক্যারিয়ারে মোট ১১১ গোলের মাত্র ১৪টি রোনালদো করেছেন পেনাল্টি থেকে। এর বাইরে ৭টি পেনাল্টি মিসও

করেছেন তিনি।

কোন টুর্নামেন্টে কত গোল

বিশ্বকাপ বাছাই : ৪২ ম্যাচে ৩৩ গোল।

ইউরো বাছাই : ৩৫ ম্যাচে ৩১ গোল।

প্রীতি ম্যাচ : ৫১ ম্যাচে ১৯ গোল।

ইউরো মূলপর্ব : ২৫ ম্যাচে ১৪ গোল।

বিশ্বকাপ : ১৭ ম্যাচে ৭ গোল।

নেশন্স লিগ : ৫ ম্যাচে ৫ গোল।

কনফেডারেশনস কাপ : ৪ ম্যাচে ২ গোল।

যাদের বিপক্ষে গোল

ক্যারিয়ারে মোট ৬৮টি দেশের বিপক্ষে খেলেছেন রোনালদো। এর মধ্যে ৪৫ দেশের জালেই বল পাঠিয়েছেন। পরশু রাতের গোলের শিকার আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ছিল রোনালদোর ৪৫তম। সবচেয়ে বেশি ৭ গোল করেছেন লিথুয়ানিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৩ ম্যাচে। এছাড়া সুইডেনের জালেও পাঠিয়েছেন সর্বোচ্চ ৭ গোল।

৭ গোল : লিথুয়ানিয়া, সুইডেন।

৬ গোল : লুক্সেমবার্গ, অ্যান্ডোরা, হাঙ্গেরি।

৫ গোল : আর্মেনিয়া, লাটভিয়া।

৪ গোল : এস্তোনিয়া, ফারো আইল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস।

৩ গোল : বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, উত্তর আয়ারল্যান্ড, রাশিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড।

 এ ছাড়া ২ গোল করে ১০ দেশের বিপক্ষে এবং ১৯ দেশের বিপক্ষে ১ গোল করেছেন।

১১১

গোলের মাইলফলক

১ গ্রিস ২-১ পর্তুগাল

  ১২ জুন, ২০০৪

১০ পর্তুগাল ৩-০ সৌদি আরব

  ১ মার্চ, ২০০৬

২০ কাজাখস্তান ১-২ পর্তুগাল

  ১৭ অক্টোবর, ২০০৭

৩০ ডেনমার্ক ২-১ পর্তুগাল

  ১১ অক্টোবর, ২০১১

৪০ পর্তুগাল ১-১ নেদারল্যান্ডস

  ১৪ আগস্ট, ২০১৩

৫০ পর্তুগাল ২-১ ঘানা

২৫ জুন, ২০১৪

৬০ পর্তুগাল ৩-৩ হাঙ্গেরি

  ২২ জুন, ২০১৬

৭০ পর্তুগাল ৩-০ হাঙ্গেরি

  ২৫ মার্চ, ২০১৭

৮০ পর্তুগাল ২-১ মিসর

  ২৩ মার্চ, ২০১৮

৯০ লিথুয়ানিয়া ১-৫ পর্তুগাল

  ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

    ১০০  পর্তুগাল ২-০ সুইডেন

        ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

১১১   পর্তুগাল ২-১ আয়ারল্যান্ড

       ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১