জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র-চীন

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। নভেম্বরে গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের আগে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো অঙ্গীকারের আহ্বান বেইজিং প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানায় সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

শুক্রবারের এক প্রতিবেদনে হংকং ভিত্তিক সংবাদপত্রটি জানায়, সম্প্রতি বেইজিং-এর সৌরশক্তি শিল্পে সংখ্যালঘু মুসলিম উইঘুরদের জোরপূর্বক কাজ করানোকে ওয়াশিংটন লক্ষ্যবস্তু করায় মানবাধিকার নিয়েও বিতর্ক জড়িয়ে পড়ে দেশ দুটি।

মার্কিন জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরিকে চীনা নেতারা জানান, তাদের দেশের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়েও রোড ম্যাপ রয়েছে।

যখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের দুই অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশ ভুগছে তখনই আলোচনা ব্যর্থ হলো। যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কসহ একাধিক শহর গত কয়েক দিনে হারিকেন পরবর্তী প্রাণঘাতী বন্যায় বিপর্যস্ত ও অন্যদিকে জুলাই-আগস্টে মুষলধারে বৃষ্টিতে শত শত মানুষ মারা গেছে চীনে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ দুই দূষণকারী দেশ। তারা ২০১৯ সালে যথাক্রমে ১ কোটি ও ৫৪ লাখ টন কার্বন ড্রাই অক্সাইড নিঃসরণ করেছে।

এ দিকে শুক্রবার গ্রিনপিস ইস্ট এশিয়া ২০২০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে রয়েছে সতর্ক বার্তা। বলা হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্রীষ্মকালে আর্কটিক অঞ্চলের সমুদ্র বরফমুক্ত হয়ে যাবে। এর আগে আশঙ্কা করা হয়েছিল ২০৫০ সাল নাগাদ এমনটা ঘটবে।