টেস্ট অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে সাকিব আল হাসানের। চারে উঠে এসেছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।
রবিচন্দ্রন অশ্বিন একধাপ নিচে নেমে গেছেন। ভারতীয় অলরাউন্ডার চার থেকে পাঁচে নেমে যাওয়ায় তার স্থান দখল করেছেন সাকিব।
সাকিব শেষ টেস্ট খেলেছেন গত জুলাইয়ের শুরুতে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ব্যাট প্রথম ইনিংসে ৩ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামতে হয়নি তার। বল হাতে নেন এক উইকেট।
অন্যদিকে অশ্বিন শেষ টেস্টে খেলছেন গত জুনে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের চলতি পাঁচ টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি তার। যার ফলে র্যাঙ্কিংয়েও তার প্রভাব পড়েছে।
তবে সাকিব বড় লাফ দিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে। তিন ধাপ এগিয়ে ৯ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন সাকিব।
বাংলাদেশিদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। আগের অবস্থান ধরে রেখে দশে আছেন তিনি।
ইংলিশরা ভারতের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টে হারলেও ব্যাট-বলে উজ্জ্বল ছিলেন ক্রিস ওকস। ওভালে প্রত্যাবর্তন টেস্টে ৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি প্রথম ইনিংসে ফিফটি করেন তিনি। পুরস্কারটাও হাতেনাতে পেয়েছেন তিনি।
সবশেষ আইসিসির টেস্ট অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো সেরা দশে জায়গা পেয়েছেন ওকস। ১১ থেকে ৯ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
টেস্ট বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ নিচে নেমে সাতে আছেন ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসন। এক ধাপ করে এগিয়ে পাঁচ ও ছয়ে উঠে এসেছেন নেইল ওয়াগনার ও কাগিসো রাবাদা।
টেস্ট ব্যাটসম্যানদের সেরা দশে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ৯ নম্বরে বসেছেন কেন উইলিয়ামসন। দুই ধাপ নিচে নেমে দশে কুইন্টন ডি কক। আরেক দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান ৩১ ধাপ এগিয়ে বসেছেন ৩৪তম স্থানে।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মোট ১৯৬ রান সংগ্রহ করেন শ্রীলঙ্কার চারিথ আসালাঙ্কার। র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে তার। ১২২ ধাপ এগিয়ে ৬৬তম স্থানে উঠে এসেছেন আসালাঙ্কা।