বরিশালের হিজলা উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অচেতন অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা বাড়িতে পৌঁছে দেয়। তবে রক্তক্ষরণ হলে সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় তাকে।
পরবর্তীতে কিশোরীকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি’তে ভর্তি করা হয়।
কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় এক ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালক আতাউল্লাহ মোল্লা তাকে স্কুলে যাওয়ার পথে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্ত ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক আতাউল্লাহ মোল্লাকে আসামি করে সোমবার গভীর রাতে হিজলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযুক্ত আতাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযুক্ত আতাউল্লাহ ওই উপজেলার ভারুইয়া গ্রামের করিম মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক।
ছাত্রীর স্বজনরা জানান, আতাউল্লাহ বেশ কিছুদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সোমবার স্কুলে যাওয়ার পথে ভারুইয়া গ্রামে তার পথরোধ করে আতাউল্লাহ। এ সময় মুখ চেপে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় আতাউল্লাহ।
হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহরাজ বলেন, মেয়েটির রক্তক্ষরণ হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের- ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হিজলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তারেক হাসান রাসেল জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পরিবার সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।