যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তি ও সাবমেরিন ইস্যুতে কার্যত ‘টালমাটাল’ পশ্চিমা দেশগুলোর মিত্রতা। চুক্তির ঘোষণা সামনে আসার পরপরই ক্ষোভ প্রকাশে এক মুহূর্ত দেরি করেনি ফরাসি সরকার। সংকটের গুরুত্ব বোঝাতে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতও প্রত্যাহার করে ফ্রান্স। বাতিল করা হয় যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স প্রতিরক্ষা আলোচনাও। তবে এই সংকটে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) প্যারিস পাশে পেয়েছে বলে জানিয়েছে এএফপি।
গতকাল মঙ্গলবার থেকে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে। তবে সেই অধিবেশনের পাশাপাশি আপাতত প্রচারের আলো পেয়েছে আরও এক বৈঠক। ইইউর দেশগুলো জাতিসংঘের অধিবেশনের সাইডলাইনে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করবে। আর সেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তি ও সাবমেরিন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। গত সোমবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন বলেছেন, আমাদেরও কিছু বিষয় জানার আছে। কিছু প্রশ্ন আছে, যার উত্তর পাওয়া দরকার। সিএনএনকে তিনি বলেন, আমাদের এক সদস্য দেশের সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা জানতে চাই কী হয়েছিল, কেন এটা হলো? ইইউর অন্যতম প্রধান কূটনীতিক জোসেপ বোরেল বলেছেন, নিউ ইয়র্কে এক বৈঠকে ফ্রান্সের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।