লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে দল বেধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার দুদিন পর শনিবার দিবাগত রাতে নোয়াখালীর বারাইপুর গ্রাম থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সাগর (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে।
ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের পর রোববার দুপুরে শারীরিক পরীক্ষার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে মো. সাগরের নাম উল্লেখসহ তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রায়পুর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার সাগর নোয়াখালীর সুধারাম থানার বারাইপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজাতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, রায়পুর থেকে এক ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীকে পুলিশ নিয়ে আসার পর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। পরে ওই ছাত্রীকে আবার পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়।
রায়পুর থানা-পুলিশ জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় মো. সাগরসহ কয়েকজন যুবক। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর বারাইপুর গ্রামের গোফরান দেওয়ানের বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধারসহ ধর্ষক মো. সাগরকে গ্রেপ্তার করে।
রায়পুর থানার ওসি আব্দুল জলিন ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের মা এ ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখসহ চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধারসহ ধর্ষক সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভিকটিমকে হাসপাতালের মাধ্যমে শারীরিক পরীক্ষা শেষে আদালতের মাধ্যমে তার মায়ের নিকট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।