কত আয় করেছিল ড্যানিয়েল ক্রেইগের চার বন্ড সিনেমা?

সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত ছবি ‘নো টাইম টু ডাই’ বেশ কয়েকবার পিছিয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে যুক্তরাজ্যে। আর এটি হতে যাচ্ছে জেমস বন্ড হিসেবে ড্যানিয়েল ক্রেইগের সর্বশেষ সিনেমা।

করোনার ডামাডোলে এমনিতে সিনেমার বাজার মন্দ। সে সময় ‘নো টাইম টু ডাই’ মুক্তিতে শঙ্কার শেষ নেই।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে উইকএন্ডের মধ্যে ৯ কোটি ডলারের মতো তুলতে পারে স্পাই সিনেমাটি। যা আগের সিনেমাগুলোর তুলনায় অনেকটাই কম।  

অক্টোবর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্ধশত মার্কেটে প্রবেশ করবে ‘নো টাইম টু ডাই’। আপাতত পুরো আয়ের হিসাব পেতে মাসখানেক অপেক্ষা করতে হবে। এর আগে জানা যাক আগের ছবিগুলোর আয়।

২০০৬ সালে ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ ছবি দিয়ে ০০৭ এজেন্টের জুতা পায়ে গলান ড্যানিয়েল ক্রেইগ। ১৫ কোটি ডলার বাজেটের বিপরীতে আয় করে ৬০.৬ কোটি ডলার।

এর দুই বছর মুক্তি পায় ‘কোয়ান্টাম অব সোলাক’। মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া ছবিটির ব্যয় ২০ কোটি ডলার। আগের চেয়ে বাজেট বাড়লেও আয় কমে, ৫৮.৯ কোটি ডলার।

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্কাইফল’ সবার কাছ থেকে ইতিবাচক রিভিউ পায়। এটি ছিল ড্যানিয়েলের সবচেয়ে বেশি আয়ের বন্ড সিনেমা। ২০ কোটি ডলারের বিপরীতে বাজার থেকে তুলে নেয় ১১০ কোটি।

২০১৫ সালের ‘স্পেক্টা’ ছিল সবচেয়ে বেশি বাজেটের, সাড়ে ২৪ কোটি ডলার। তবে এটি আগে ছবির আয়কে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া ‘স্পেক্টা’ আয় করে ৮৮ কোটি ডলার।

’নো টাইম টু ডাই’ পরিচালনা করেছেন ক্যারি জোজি ফুকুনাগা। ড্যানিয়েল ক্রেইগ ছাড়াও এ ছবিতে অভিনয় করেছেন রালফ ফিয়েনেস, নাওমি হ্যারিস, বেন হিশাও, জেফ্রি রাইট, লিয়া সেদুও, ক্রিস্টফ ভালৎজ, রেফ ফাইঞ্জ, রামি মালেক, আনা ডি আরমাস, লাশানা লিঞ্চসহ অনেকে।