বেইজিংকে ‘ক্রমবর্ধমান প্রতিপক্ষ’ বর্ণনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা।
সিআইএ’র পরিচালক উইলিয়াম বার্নস বৃহস্পতিবার নতুন একটি চীন মিশন কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন। বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ক্রমবর্ধমান হুমকির মোকাবিলা নিশ্চিত করা হবে।
এক বিবৃতিতে বার্নস চীনা সরকারকে ‘২১ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক হুমকি’ বলে অভিহিত করেছেন।
বার্নস বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে সিআইএ যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এগিয়ে গেছে এবং এখন বিশ্বশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন যুগে আমরা কঠিন ভূ-রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখোমুখি, সিআইএ এই প্রচেষ্টায় অগ্রভাগে থাকবে।’
সিআইএ আরও বলছে, তারা একটি ট্রান্সন্যাশনাল অ্যান্ড টেকনোলজি মিশন সেন্টার চালু করছে এবং নতুন প্রযুক্তি কর্মকর্তার পদ তৈরি করছে যাতে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক সমস্যাগুলোর উন্নত সমাধান করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে উঠতি প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন।
চীন সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে বার্নসের উদ্বেগ নতুন নয়। বছরের শুরুর দিকে দায়িত্ব নেওয়ার সময়ে শুনানিকালে বলেন, ‘সামনের দশকগুলোতে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় হবে।’ ফেব্রুয়ারিতে আইনপ্রণেতাদের বলেন, চীনের নেতৃত্ব বৈরী ও শিকারসন্ধানী ।
চীনের প্রতি কঠোর মনোযোগ সত্ত্বেও সিআইএ বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, সন্ত্রাসসহ অন্যান্য শীর্ষ হুমকির ক্ষেত্রে কোনো আপস থাকবে না। বিশেষ করে সংস্থাটি মতে, আগ্রাসী রাশিয়া, উসকানিদাতা উত্তর কোরিয়া এবং বৈরী ইরানের বিরুদ্ধে। তবে এর কার্যক্রম কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, সিআইএ ২০১৭ সালে স্থাপিত উত্তর কোরিয়া বা ইরানের জন্য আলাদা মিশন কেন্দ্র চালাবে না।