‘ম্যানসিটি-পিএসজির মতো বড় ক্লাব হবে নিউক্যাসল’

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ তো বটে, আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্লাবে পরিণত হয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড।

সৌদি মালিকানাধীন কনসোর্টিয়াম সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) কিনে নিয়েছে ইংলিশ ক্লাবটির মালিকানা। সেই সঙ্গে সঙ্গে শেষ হলো আগের মালিক মাইক অ্যাশলের সঙ্গে নিউক্যাসলের ১৪ বছর সম্পর্ক।

পিআইএফ-এর অধিগ্রহণের পর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পিসিপি ক্যাপিটালস পার্টনারের প্রধান নির্বাহী এবং নিউক্যাসল বোর্ডের ডিরেক্টর আমান্ডা স্টাভেলি বৃহস্পতিবার স্কাই স্পোর্টসকে জানান, প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষস্থানে থাকার দীর্ঘমেয়াদি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ক্লাবটি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

স্কাই স্পোর্টসের প্রতিবেদক কিথ ডাউনিকে তিনি বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ হওয়ার জন্য নিউক্যাসল ইউনাইটেড। শীর্ষে যেতে চাই। এর জন্য সময় লাগবে, তবে আমরা শীর্ষে উঠব।’

আমান্ডাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, প্রিমিয়ার লিগ জয়ের ব্যাপারে। উত্তরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এই অধিগ্রহণ বিশাল পরিবর্তন আনছে। আমরা শিরোপা দেখতে চাই। তবে শিরোপার জন্য বিনিয়োগ, ধৈর্য ও টিমওয়ার্ক দরকার।’

নিউক্যাসলকে ইংল্যান্ডে অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে ধনী ক্লাব বানানোর পথে ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড অঙ্কের অধিগ্রহণ অর্থ প্রদান করছে পিআইএফ। পিআইএফ-এর প্রধান হিসেবে আছেন সৌদি যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

যাদের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩২০ বিলিয়ন ইউরো। আর তা ম্যানচেস্টার সিটির মালিক শেখ মনসুরের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। এমনকি মেসি-নেইমারকে কেনা পিএসজির প্রেসিডেন্ট নাসের-আল-খেলাইফিও সম্পদের দিক দিয়ে বেশ পিছিয়ে পিআইএফ-এর চেয়ে।

ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজিও মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল বিনিয়োগে সময়ের অন্যতম ফুটবল জায়ান্ট হয়ে উঠেছে। ঘরোয়া ফুটবলের শিরোপা জিতলেও এখনো ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরতে পারেনি এই দুই দল।

সেই লক্ষ্যে মেসি-নেইমারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারকে কিনেছে পিএসজি। অন্যদিকে ম্যানসিটির ডাগআউটে আছে বিশ্বের সেরা কোচ পেপ গার্দিওলা। বিশাল অঙ্কের বিনিময়ে কেভিন ডি ব্রুইনা-জ্যাক গ্রিলিশদের মতো তারকাদের দলে নিয়েছে তারা।

তবে নিউক্যাসলের এই বিনিয়োগ ফরাসি ক্লাবটির চেয়ে বেশি। পিএসজির চেয়ে বড় ক্লাব হয়ে উঠতে চাওয়া নিয়ে আমান্ডা বলেন, ‘অবশ্যই, ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজির মতো আমাদের কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। তবে তার জন্য সময় প্রয়োজন।’