সিনেমার গল্পের মতোই ঘটনা। গুপ্ত অপারেশন চালিয়ে এক ইঞ্জিনিয়ার ও তার স্ত্রীকে ধরেছে এফবিআই।
২০২০ সাল থেকে ওই দুই ব্যক্তির সঙ্গে ছদ্মবেশে কথা বলছিল গোয়েন্দারা। বিদেশি ক্রেতা সেজে দম্পতির কাছ থেকে মার্কিন পারমাণবিক ডুবোজাহাজ সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি চড়া দামে কিনেন তারা। এরপর গোপন তথ্য পাচারের দায়ে আটক হন দম্পতি।
মার্কিন আদালতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রকৌশলী জোনাথন তোয়েবে ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে তথ্য পাচার করে আসছেন। গত শনিবার পশ্চিম ভার্জিনিয়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাদের আদালতে নেওয়া হবে।
২০১২ সাল থেকে তোয়েবে নৌবাহিনীতে কাজ করেছেন এবং এমনকি পারমাণবিক প্রকৌশল বিষয়ে তার উচ্চস্তরের ছাড়পত্র ছিল।
আদালতের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে একজন এফবিআই কর্মকর্তা একটি প্যাকেজ পান, যেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর গোপন কিছু তথ্য ছিল এবং আর তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করা যায় সেই নির্দেশনাও দেওয়া ছিল।
পরে প্রমাণ হয়, জোনাথন তোয়েবে এই তথ্য পাঠান। এ ছাড়া ছদ্মবেশী এফবিআই এজেন্টের কাছে লাখ লাখ ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিময়ে গোপন তথ্য বিক্রি করেছেন তোয়েবে।
অভিযোগ, পরমাণু সাবমেরিনের ডিজাইনের কিছু তথ্য একটি চিপে তুলে নিয়ে পাউরুটির ভেতরে পিনাট স্প্রেডের সঙ্গে লাগিয়ে বাইরে নিয়ে আসেন ওই ইঞ্জিনিয়ার। তারপর তা ৩০ হাজার ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুইংগামের প্যাকেটে ভরে বাইরে নিয়ে আসেন তিনি। ৭০ হাজার ডলারে তা বিক্রি করেন।
ওই দুই ঘটনার প্রমাণ পাওয়ার পর আর দেরি করেনি এফবিআই। ঝটপট গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে।