রাষ্ট্রছাড়া ফিলিস্তিনিরা নিরাপদে বাস করতে পারবেন না: ম্যার্কেল

‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে ইসরায়েলের কয়েক দশক ধরে চলা দ্বন্দ্ব–সংঘাত অবসানে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানই সেরা উপায় বলে মনে করে জার্মানি। দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া ঠিক হবে না। তা ছাড়া একটা রাষ্ট্রছাড়া ফিলিস্তিনিরা নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন না।’ জার্মানির বিদায়ী চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ইসরায়েল সফরে গিয়ে রবিবার এমন মন্তব্য করেছেন।

এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সই হওয়া পারমাণবিক চুক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে জার্মানি এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর: আল–জাজিরা

ইরানের পারমাণবিক ইস্যু ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে মতপার্থক্য চলার মধ্যেই এ কথা বলেন তিনি।

বিদায়ী চ্যান্সেলর ম্যার্কেল বলেন, ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সই হওয়া পারমাণবিক চুক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে জার্মানি এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি এ মন্তব্য করলেও এ ব্যাপারে ইসরায়েলের ঘোর আপত্তি রয়েছে।

ম্যার্কেল আরও বলেন, ফিলিস্তিনের সঙ্গে ইসরায়েলের কয়েক দশক ধরে চলা দ্বন্দ্ব–সংঘাত অবসানে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানই সেরা উপায় বলে মনে করে জার্মানি।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি মনে করি, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ নিয়ে আশার তেমন কিছুই না দেখা গেলেও দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের বিষয়টি আলোচনার টেবিল থেকে সরিয়ে ফেলা বা এটি ধামাচাপা দেওয়া উচিত হবে না। তা ছাড়া একটা রাষ্ট্রছাড়া ফিলিস্তিনিরা নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন না।’

ম্যার্কেল বলেন, অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের ইহুদি বসতি স্থাপন কার্যক্রমও সংকট সমাধানে সহায়তা করেনি।

ম্যার্কেলের এসব কথার জবাবে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সাবেক নেতা বেনেট ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অর্থ হবে, খুব সম্ভবত একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার বাড়ি, এমনকি ইসরায়েলের যেকোনো স্থান থেকে এটির দূরত্ব হবে গড়পড়তা সাত মিনিটের পথ।’