১৩ বছর আগে এক তুষারঝড়ে পড়ে আফগানিস্তানের বৈরী এলাকায় জরুরি অবতরণে বাধ্য হয় আমেরিকান হেলিকপ্টার। যেখানে ছিলেন তৎকালীন সিনেটর ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওই ঘটনায় উদ্ধারে সাহায্যকারী এক দোভাষী শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ঠাঁই পেলেন। খবর সিএনএন।
সোমবার সকালে হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাহায্যে দোভাষী আমান খলিলি ও তার পরিবার সফলভাবে পাকিস্তান ত্যাগ করে।
সম্প্রতি খলিলি তাকে উদ্ধার করার জন্য বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানান।
খলিলিকে পাকিস্তান ত্যাগে সাহায্য করার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনসহ অন্য কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানায় হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন।
শিগগিরই বাকি ২০০ জনকে পাকিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলেও জানায় সংস্থাটি।
২০০৮ সালের ওই সফরে বাইডেন ছাড়াও বেশ কয়েকজন মার্কিন সিনেটর ছিলেন। নেব্রাস্কার চাক হাগেল ও ম্যাসাচুসেটসের জন কেরিসহ অন্যরা সেদিন আফগানিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলে জরুরি অবতরণে বাধ্য হন।
তখন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের বহনকারীরা হেলিকপ্টারটি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মুখে ছিল।
কিছুদিন আগে আমান খলিলি জানান, তার অভিবাসন ভিসা আটকে আছে। তবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ওপর তার আস্থা রয়েছে।
গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তালেবানদের হাতে। এর আগে মে মাসে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরুর পাশাপাশি চলে দোভাষীদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া।