আইসিসির পূর্ণ সদস্য হয়েও জিম্বাবুয়ে কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কুড়ি-কুড়ি বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না জিম্বাবুয়ে। প্রথমবার ২০০৯ সালের টুর্নামেন্টে। রবার্ট মুগাবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের চাপের মুখে ২০০৮ সালের জুলাইয়ে পরবর্তী বছরের টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় জিম্বাবুয়ে। তাদের কারণে সহযোগী দেশগুলোর বাছাইপর্ব থেকে আয়ারল্যান্ড-নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে আরেকটি জায়গা তৈরি হয়, যে জায়গাটি নেয় স্কটল্যান্ড।
এবারের বিশ্বকাপের জন্য যখন বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়, তখন আইসিসি কর্র্তৃক নিষিদ্ধ জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ইউনিয়ন। তাদের জায়গায় নাইজেরিয়াকে আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্ব খেলার সুযোগ দেওয়া হয়। আমিরাতে অনুষ্ঠিত ১৪ দলের চূড়ান্ত বাছাইপর্বে দ্বিতীয় গ্রুপে পড়েছিল নাইজেরিয়া, যেখান থেকে আয়ারল্যান্ড, ওমান, আমিরাত ও হংকং প্লে-অফে ওঠে। অন্য গ্রুপ থেকে ওঠে পাপুয়া নিউগিনি, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ড। প্লে-অফ জিতে চূড়ান্তপর্বে উত্তীর্ণ হয়ে নেদারল্যান্ডস, পাপুয়া নিউগিনি, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, স্কটল্যান্ড এবং ওমান। এই ৬ দল শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের সঙ্গে আজ থেকে শুরু মূলপর্বের প্রথম রাউন্ডে খেলছে। টি২০-র র্যাংকিং অনুসারে শীর্ষ ৮ দল সরাসরি সুপার টুয়েলভে (যা প্রথমবারের মতো হচ্ছে) খেলার যোগ্যতা পায়। প্রথম রাউন্ডের দুই গ্রুপের সেরা চার দল যোগ দেবে এদের সঙ্গে, যে পর্ব শুরু হবে ২৩ অক্টোবর থেকে।