ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আপন দুই ভাইয়ের লড়াই

জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আপন দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থক বড় ভাই মো. কামরুজ্জামান কামু এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আর ছোট ভাই মো. শেখ কামাল আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দুই ভাই নির্বাচনে জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদী। আপন দুই ভাইয়ের ভোটযুদ্ধ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

১১ নভেম্বর তেঁতুলিয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক ঝগড়া-বিবাদ চলছে। ফলে কেউই কাউকে ছাড় দেয়নি। একই পরিবার থেকে দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিপাকে পড়েছেন পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজনসহ পাড়া প্রতিবেশীরা।

কামরুজ্জামান কামু বলেন, গত ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলাম। গতবারও তিনি (মো. শেখ কামাল) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি মাত্র ৬৩ ভোটে পরাজিত হন। আমি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। এলাকাবাসীর চাপে এবারও তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

এবার বিজয়ী হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী কামরুজ্জামান। ছোট ভাই প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে পরিবারের কারো সঙ্গে আলোচনাই করেননি বলেও উল্লেখ করেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী মো. শেখ কামাল বলেন, দলীয়ভাবে আমাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক কোন্দলের কারণে তিনি (কামরুজ্জামান কামু) প্রার্থী হতে পারেন বলে স্বীকার করেছেন। দলীয় প্রতীক পাবো এবং আমি নির্বাচনে প্রার্থী হবো এ বিষয়টি আমি তার কর্মী সমর্থকদের জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও তিনি প্রার্থী হয়েছেন।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলী হোসেন জানান, এ ইউনিয়নে দুই ভাই ছাড়াও ৮ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার ৯১২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪ হাজার ৬শ’ এবং নারী ভোটার ৪ হাজার ৫২৬ জন। ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।