ধর্মীয় সংবেদনশীলতাকে লক্ষ্য করে উসকানি ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। দেশে সংখ্যালঘুদের এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ক্যাম্পেইনের সাদ হাম্মাদি বলেন, 'হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব চলাকালে তাদের ওপর, তাদের বাড়িঘর, মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার খবর দেশে সংখ্যালঘুবিরোধী মনোভাবের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। হিন্দুদের ওপর বারবার এ ধরনের হামলা, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি এবং উপাসনালয় ধ্বংস করার মানে এই দাঁড়ায় যে রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধরনের হামলার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার এবং ভুক্তভোগীদের প্রতিকার নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে, পুঙ্খানুপুঙ্খ, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছভাবে ঘটনার তদন্ত করতে হবে এবং সহিংসতা ও ভাঙচুরের জন্য সন্দেহভাজনদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।'