রংপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতায় ছাত্রলীগসহ ক্ষমতাসীনরা জড়িত: মির্জা ফখরুল

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিকে শেষ করার অকৌশল হিসেবে নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, যেকোনো ঘটনায়ই বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা হয়। প্রকৃত দোষী যাতে শাস্তি না পায় তার জন্য এক মামলায় হাজারজনকে আসামি করা হয়। মন্দির ভাঙাসহ প্রতিটি ঘটনায় সরকারি দল জড়িত। রংপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতায় ছাত্রলীগসহ ক্ষমতাসীনরা জড়িত। যা স্বীকারোক্তিও দিয়েছে।

বুধবার দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের নানান ব্যর্থতা, অপকর্ম ঢাকতেই বিভিন্ন মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা চালানো হচ্ছে। বেআইনি ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য নিজেরা সহিংসতা করে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। কারাগারে অন্তরীণ থাকা নেতাদের বিরুদ্ধেও মামলা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, কুমিল্লায় পাগল ইকবালকে সাজানো হয়েছে। সরকারের মূল সমস্যা ঘটনা থেকে দৃষ্টি সরানো। এগুলোই তারা করছে। চৌমুহনীর ঘটনায় প্রায় আট হাজার মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এ মামলা কি কখনো শেষ হবে? সেখানে একজনকে দিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়ানো হলো বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু জড়িত। উপজেলা বিএনপির সভাপতি জড়িত। এটা হাস্যকর, কেউ বিশ্বাস করবে না। সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে সারাদেশে সহিংসতা চলছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কোনো ধর্মের মানুষ আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ নিজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিএনপির উপর দায় চাপায়। তার কারণ একটাই, বিএনপিকে দমাতে হবে। না হলে অবৈধ ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে পারবে না।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী উপস্থিত ছিলেন।