সরাইলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি পেলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চেক জালিয়াতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

নোয়াগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শফিকুল ইসলাম। বিতর্কিত এই  প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়ায় সর্বত্র এখন সমালোচনা চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থীদের নাম কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে পাঠানো হয়- তার মধ্যে নোয়াগাঁও ইউনিয়নে শফিকুল এর নামও ছিল।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড তার নাম ঘোষণা করে। মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর থেকেই সমালোচনা চলছে। 

জানা গেছে, নোয়াগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আদালতে চেক জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেন আশুগঞ্জ উপজেলার শরীয়তনগর এলাকার বাসিন্দা আবু আসিফ আহমেদ। ওই মামলার আদেশে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর শফিকুলকে এক বছরের কারাদণ্ড ও চেকে বর্ণিত ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও জানা যায়, এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্নজনের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে।

 এ ব্যাপারে নোয়াগাও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তার সাজার কথা স্বীকার করে বলেন, কবেই তিনি সেই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন, তবে তিনি সঠিক দিন তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি।

বিতর্কিত প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বলেন, ‘শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির অভিযোগটি সত্য হলে এটি আপত্তিজনক। মামলায় সাজার বিষয়টি আমরা জানতাম না। আমরা পাঁচজন করে নাম পাঠিয়েছিলাম। ওই নামের মধ্যে তার নামও ছিল।’