নায়িকার প্রেমে নয়, চরিত্রের প্রেমে পড়েছি: আদর আজাদ চৌধুরী

সৈকত নাসির পরিচালিত ‘তালাশ’ সিনেমার কাজ শেষ করেছেন  ‘ইমামি ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম চ্যানেল আই হ্যান্ডসাম দ্য আল্টিমেট’ খ্যাত নবাগত চিত্রনায়ক আদর আজাদ চৌধুরী। সম্প্রতি শুটিং স্পটে এই নায়কের সঙ্গে কথা হয় দেশ রূপান্তরের।

কেমন আছেন?

ভালো আছি। আলহামদুলিল্লাহ।

সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে জানতে চাই…

আমি সর্বশেষ গুণী নির্মাতা সৈকত নাসিরের ‘তালাশ’ সিনেমায় কাজ করেছি। এই সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে। এখন মুক্তির প্রহর গুনছে। এর বাইরে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ ও ‘যাও পাখি বলো তারে’র শুটিংও শেষ করেছি। তিনটি ছবিই এখন মুক্তির প্রহর গুনছে।

‘তালাশ’ সিনেমায় আপনার চরিত্র নিয়ে জানতে চাই...

এই সিনেমায় আমি সুমন নামের একটি চরিত্রে অভিনয় করছি। চরিত্র নিয়ে যদি ডিটেইল বলি, তাহলে সুমন একজন গিটারিস্ট, কম্পোজার, মিউজিশিয়ান। সে মিউজিক পছন্দ করে। মিউজিক তার ধ্যান জ্ঞান। সবকিছু মিলিয়ে বলতে পারেন, এটা একটা মিউজিক্যাল ফিল্ম বা মিউজিক্যাল ট্র্যাজেডি। আশা করছি, ভালো লাগবে।

সৈকত নাসিরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

তিনি খুবই ভালো। এই মানুষটা সম্পর্কে যতই বলি না কেন, কম বলা হবে। শুটিংয়ের সময় প্রত্যেকটা দৃশ্য সম্পর্কে ডিটেইলিং বলে দিতেন। ফলে ক্যারেক্টারটা করতে কোনো সমস্যা হতো না।

‘তালাশ’ সিনেমায় আপনার নায়িকা বুবলী। বুবলীর বিপরীতে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

‘তালাশ’ সিনেমায় আমার নায়িকা শবনম বুবলী। তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। তিনি তো একজন সুপারস্টার। সে হিসেবে আমার কোনো সিনেমায় মুক্তি পায়নি। সেই জায়গা থেকে আমাকে যেভাবে তিনি গ্রহণ করেছেন সেটা তার ভালো মানসিকতারই প্রমাণ।

এই সিনেমা করতে গিয়ে নায়িকার প্রেমে পড়ে গিয়েছেন কিনা?

আমি জানতাম আপনি এই প্রশ্নটা করবেন (হা হা হা)। আমি আসলে এই সিনেমা করতে গিয়ে সুমনের প্রেমে পড়ে গেছি। নায়িকা নয়, আমি চরিত্রের প্রেমে পড়ে গেছি।

এটা কতটুকু সময়োপযোগী সিনেমা?

এখন যে সিনেমাটা করছি সেটা ২০২১ সালে করছি এবং আমি বলব এটা ২০২১ সালেরই সিনেমা- তার আগের বা পুরোনো দিনের নয়। অর্থাৎ শতভাগ সময়োপযোগী একটা সিনেমা হচ্ছে ‘তালাশ’।

দর্শক সিনেমাটি কেন দেখতে যাবে?

দর্শক সিনেমাটি কেন দেখতে যাবে? তার জবাবে বলব, সিনেমাটিতে কী আছে সেটা দেখার জন্যই দর্শক সিনেমা হলে যাবে।