গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম লুৎফুল কবিরের শাস্তি নির্ধারণে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিন্ডিকেটের একজন সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার পিএইচডি গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ উঠলে বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি তার অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে। আজকে বিষয়টি সিন্ডিকেটে উঠলে তার শাস্তি নির্ধারণে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের দিকে ‘টিউবারকিউলোসিস অ্যান্ড এইচআইভি কো-রিলেশন অ্যান্ড কো-ইনফেকশন ইন বাংলাদেশ: অ্যান এক্সপ্লোরেশন অব দেয়ার ইমপ্যাক্টস অন পাবলিক হেলথ’ শীর্ষক ওই নিবন্ধের কাজ শুরু করেন আবুল কালাম লুৎফুল কবির। তার এই গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ আর সহতত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।