আজ দুবাইতে সুপার টুয়েলভের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপ শিরোপার প্রধান দুই দাবিদার ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। কেনসিংটন ওভালের টি-টোয়েন্টি ফাইনালের স্মৃতিও ফিরে এসেছে। যদিও এই ম্যাচটা ধারে-ভারে সেই ম্যাচের সঙ্গে তুলনীয় নয়। সেই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৪৭ রান করেছিল। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলেছিল ইংল্যান্ড। ৭ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ২০১০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইংলিশরা। আজ কি সেই হারের বদলা নিতে পারবে অস্ট্রেলিয়া?
২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচটা তেমন হবে না বলেই প্যাট কামিন্সের ধারণা। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না একপক্ষীয় ম্যাচ হবে। তাছাড়া এটা আলাদা ফরম্যাট। আমরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনেক খেলেছি। দুই দলের খেলার ধরন একই রকম। ভালো একটা ম্যাচ হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই দলের জন্য এটা বড় ম্যাচ হতে যাচ্ছে। আমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা সব সময় উপভোগ করি।’ ওয়ার্নারের ফর্মে ফেরাকে ইতিবাচক মনে করছেন কামিন্স, ‘সে বিগ ম্যাচের ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের সঙ্গেও সে ভালো করবে বলে আমরা আশা করছি।’
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান বলেছেন, ‘সুপার টুয়েলভের গ্রুপ পর্বে এটাই সম্ভবত আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া অনেক শক্তিশালী দল। তবে আমরা যে লেভেলের ক্রিকেট খেলছি তাতে মনে হয় ছেলেরা চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। আশা করি পরের তিন ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনালে যেতে পারব।’ দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার কুইন্টন ডি ককের না খেলা প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন মরগ্যান। সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা আবার এটা নিয়ে কথা বলছি কারণ সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করা নিয়ে সংশয় এখনো দূর হয়নি।’ ‘বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে শক্তিশালী বার্তা দেওয়া উচিত। তবে সবাই একমত না হলে জোর করে কোনো কিছু দেখানোর জন্য করা উচিত নয়। কারণ আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য সচেতনতা তৈরি করা। শিক্ষা দেওয়া। সর্বোপরি সবার জন্য বৈষম্যের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া।’