পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে গঙ্গা চুক্তি হয়েছে। ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। তিস্তা চুক্তিও হবে।
গতকাল রংপুরের বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে আঞ্চলিক চর সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, জার্মানির ‘চিফ অব পার্টি’ মার্ক নসব্যাক প্রমুখ।
শামীম বলেন, ‘স্যাটেলাইট শহর ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলাসহ খনন করা হবে তিস্তা নদী ও চর। ফলে প্রতিবছর ২০ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে হাজার হাজার বাড়িঘর। তাহলে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই অঞ্চলে ফসলের বাম্পার ফলনের জন্য কাজ করছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মানুষের আর্থসামাজিক ব্যাপক উন্নতি হবে। মানুষর কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।’
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দেখভাল করেন। উত্তরাঞ্চলের প্রতিটি জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প চলমান আছে। প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এছাড়াও এ অঞ্চলে আরও যেসব প্রকল্প প্রয়োজন সেগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে।
উপমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমিও নদীভাঙা এলাকার মানুষ। তবে এখন আর নদী ভাঙন নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে নদীভাঙনকবলিত এলাকা এখন পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। পরে রংপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন দপ্তর ও আবাসিক ভবন পরিদর্শন করেন।