অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের স্মরণসভায় বক্তারা

শিক্ষা ও সংস্কৃতির সমন্বয় সাধন করেছিলেন তিনি

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মধ্যে অনন্য সমন্বয় সাধন করেছিলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। একটি সুশিক্ষিত এবং সংস্কৃতিবান জাতি গঠন করার মধ্য দিয়েই অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা সম্ভব হবে। গতকাল সোমবার বাংলা একাডেমিতে এই স্মরণসভা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন অসাধারণ গবেষক। ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকা ঐতিহাসিক। ভাষা আন্দোলনের বহু মূল্যবান আলোকচিত্র তার ক্যামেরায় ধারণ করা। মুক্তিযুদ্ধে রয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চা, ঢাকার ইতিহাস রচনা, মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা, নজরুল-চর্চা এবং বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনে তার ভূমিকা অনন্যসাধারণ।

আলোচনায় অংশ নিয়ে রফিকুল ইসলামের মেয়ে মেঘলা ইসলাম বলেন, বাবাকে হারিয়ে আমরা শোকস্তব্ধ। তবে শোক কাটিয়ে তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করব। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, অধ্যাপক শওকত আরা হোসেন, কবি কামাল চৌধুরী, শিল্পী ড. লিনা তাপসী খান, কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আসানসোল, ভারত-এর বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোনালিসা দাস, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে, বাংলা একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. মনিরুল ইসলাম খান প্রমুখ।