সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগা ইউনিয়নের ভায়াট গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার জেরে এলাকাবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকে আটকে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি (৩২) সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
এ বিষয়ে ভায়াট গ্রামের মাতব্বর রাঙ্গা মণ্ডল ও নজরুল ইসলাম জানান, স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর ওই নারী কয়েক বছর সৌদি আরবে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে দেশে ফিরে দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে তার সর্ম্পক গড়ে উঠে। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি ওই নারীর ঘরে রাত্রী যাপনের জন্য গেলে গ্রামবাসী তাকে আটকে মারধর করে। এরপর উভয়পক্ষের অভিভাবকদের সম্মতিতে চার লাখ টাকা দেনমোহরানায় তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই আওয়ামী লীগ নেতা বিবাহিত এবং তার দুটি ছেলেমেয়ে আছে।
এ বিষয়ে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই সরকার জানান, শুনেছি এক নারীর সঙ্গে রাত্রীযাপন করতে গেলে গ্রামবাসী তাকে আটকে রেখে মারধর করে। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, ঘটনার রাতে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিতে অসহায় ওই নারীর বাড়ি গিয়েছিলাম। কিন্ত গ্রামবাসী পরিকল্পিতভাবে আমাকে আটকে রেখে তার সঙ্গে বিয়ে পড়িয়ে দেয়।
এ বিষয়ে পুলিশের মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।