পীরগঞ্জ বিএডিসির সেচ কার্যালয়ে ৬ পদের ৫টিই শূন্য!

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন বিএডিসি’র সেচ (নির্মাণ) কার্যালয়ে জনবল সংকটে পাম্প মালিকরা সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তা ছাড়া অন্যান্য কাজকর্মও ব্যাহত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ সময় গোটা উপজেলার কৃষকরা বোরো ধান রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ জন্য তারা জমিতে সেচ দিতে সেচপাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তির জন্য পীরগঞ্জে বিএডিসি (সেচ) বিভাগে ধরনা দিচ্ছেন।

প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কৃষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেচ পাম্পের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনের পর প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছেন। প্রত্যয়নপ্রাপ্ত পাম্প মালিকদেরকেই বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হচ্ছে। অন্যথায় বিদ্যুৎ সংযোগ মিলছে না। ইতিমধ্যে চলতি মৌসুমের  ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৯৩টি নতুন সংযোগের আবেদনপত্র জমা পড়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।

আবেদনকারীদের অনেকেই এখনো প্রত্যয়ন না পাওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। কবে পাবেন সংযোগ সেচ পাম্প মালিকেরা তাও জানেন না।

অপর একটি সূত্র জানায়, উক্ত কার্যালয়ে ৬টি পদ থাকলেও ও ৫ পদই শূন্য রয়েছে। ফলে বর্তমান দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলীকেই সেচ পাম্প মালিকদের আবেদনের তদন্তসহ অফিসের সব দায়িত্বই পালন করতে হচ্ছে। যে কারণে উক্ত কর্মকর্তার একার পক্ষে সময়ানুযায়ী দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরেও বিভিন্ন স্থানে সেচপাম্প স্থাপন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতাও অব্যাহত রয়েছে। যেগুলোরও কোনো সমাধান মিলছে না শিগগিরই।

এ পরিস্থিতিতে সেচ পাম্প মালিকদের উক্ত অফিস থেকে সেবা প্রাপ্তির জন্য দিনের পর দিন ধরনা দিতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ বিএডিসি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (নির্মাণ) রুবেল ইসলাম জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, জনবল সংকটে স্বাভাবিক কাজকর্ম দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারপরেও আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।