লঞ্চে আগুন: মা-ভাইকে রেখে চলে গেল ছোট্ট মাহিনুর

বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলা সংলগ্ন বিষখালী নদীতে ‘অভিযান-১০’ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মার গেছে মাহিনুর (৬)। এ ঘটনায় দগ্ধ তার মা ও ভাইকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা তিনটার পর থেকে বিভিন্ন সময় মোটর পাঁচজনকে এখানে ভর্তি করা হয়।

শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউট সূত্রে জানা গেছে, লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ মা-ছেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা হলেন জিয়াসমিন আক্তার (২৮) ও তার ছেলে তামিম হাসান (১০)।

শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে তাদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকায় আসার পথে মাওয়া ফেরিঘাটে মারা যায় তার জিয়াসমিনের মেয়ে মাহিনুর (৬)।

জিয়াসমিনের মামা মো. মামুন জানান, জেসমিন তার স্বামী সন্তান নিয়ে বরগুনা সদরে থাকেন। তার বাবার বাড়ি ঢাকার কেরানীগঞ্জের সুবাড্ডা এলাকায়। ১০-১২ দিন আগে জিয়াসমিনের নানীর মৃত্যুর খবর শুনে দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি আসে সে। বৃহস্পতিবার রাতে আবার সন্তানদের নিয়ে বরগুনা ফিরছিল। তখন লঞ্চে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।

তিনি আরো জানান, দগ্ধ অবস্থায় তাদের বরিশাল মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। সেখান থেকে তাদের ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। পথে মাওয়া ঘাটে মেয়ে মাহিনুরের মৃত্যু হয়। তার লাশ কেরানীগঞ্জ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরী বিভাগে আবাসিক চিকিৎসক ডা. এস এম আইউব হোসেন জানান, দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের দুজনরর হাত-পা ও মুখে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন।