ব্যালট পেপারে লেখা- ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় ব্যালট গণনার সময় সিলের পরিবর্তে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ লেখা দুটি ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা।

মধ্য চরচান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।

কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মহিউদ্দিন খোন্দকার জানান, রবিবার বিকেল ৪টার পর ভোট গণনার সময় দুটি ব্যালট পেপারে সিলের পরিবর্তে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ লেখা পাওয়া গেছে। চেয়ারম্যান পদে একটি ব্যালট ও সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদের একটি ব্যালটে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ কলমের কালিতে লেখা ব্যালট দুটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

প্রিজাইডিং অফিসার মো. ফোরকান মোল্লা জানান, তার কেন্দ্রে ৬০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ১ হাজার ৮৯২টি ও বাতিল হয়েছে ৪৭টি।

তিন আরও জানান, চরচান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তার কেন্দ্রে চেয়ারম্যান পদে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী ১ হাজার ২৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে ভোট পড়েছে ৪৩৬টি।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. মাইনুল হক জানান, রোববার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হলেও চেয়ারম্যান পদে ৭টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

একক প্রার্থী থাকায় দুটি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছে।