মোবাইল-মানিব্যাগ না দেওয়ায় ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আল মোহাইমিনুল খানের মোবাইল-মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

মোবাইল-মানি ব্যাগ দিতে অস্বীকার জানালে তাকে উপর্যুপরি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিচার দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানীর কাছে অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।

অভিযোগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মধ্যে দিয়ে বাংলা একাডেমি যাচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে ৫-৬ জন ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে আমার ওপর হামলা ও আমার বন্ধুর ওপর হামলা করে। তারা আমার মোবাইল মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। মোবাইল মানিব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে রক্তাক্ত করে তারা পালিয়ে যায়। মারধরকারীদের মধ্যে দুজনকে আমার বন্ধু চিনতে পারে। তারা হলেন ইতিহাস বিভাগের সজীব খন্দকার ও চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার বিভাগের নুর নিষাদ। তারা দুজন ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী আল মোহাইমিনুল খান বলেন, আমি ও আমার বন্ধু বাংলা একাডেমি যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ৫-৬ এসে আমাদের পথ রোধ করে মোবাইল মানি ব্যাগ দিতে বলে। তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলে সে বলে তাকে আমি কেন চিনি না? এরপর আমাকে মারধর করতে থাকে। মারধর করার আগে তারা সম্ভবত মাদক সেবন করেছিল।

অভিযুক্ত সজীব খন্দকার বলেন, আমি তখন স্বাভাবিক ছিলাম না। বিষয়টি আসলে বুঝতে পারিনি। আসলে আমার ভুল হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, কাল রাতে একজন আমাকে কল দিয়ে এই ধরনের অভিযোগ জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। আমরা ব্যবস্থা নিব।