সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে বেসরকারি হজ ও ওমরাহ এজেন্সি মালিকদের সংগঠন-হাব-এ প্রশাসক নিয়োগ দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির একাংশ।
হাব-এর দ্বিবার্ষিক (২০২১-২৩) নির্বাচন হাইকোর্ট একমাস পিছিয়ে দিয়েছে জানিয়ে গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট প্যানেলের প্রধান আব্দুস সোবহান ভূইয়া নেতৃত্বাধীন প্যানেল এ দাবি করেছে।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আমরা প্রশাসক নিয়োগে লিখিত দাবি জানাই। কিন্তু মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করি।’
আব্দুস সোবহান বলেন, ‘ভোটার তালিকায় মিথ্যা সদস্য ও ভোটার দেখিয়ে তালিকা তৈরি করার কারণে রিট করলে মঙ্গলবার শুনানি শেষে হাইকোর্ট ডিভিশনের কোম্পানি বেঞ্চ ১৯৯৪ সনের কোম্পানি আইনের ৪৩ ধারায় নির্বাচন এক মাসের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা হাইকোর্টের আদেশকে সম্মান জানিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে আবারও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।’
গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট প্যানেলের প্রধান অভিযোগ করে বলেন, ‘হাব-এর বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই বছর এবং প্রতি বছর এজিএম করার কথা। কিন্তু তারা তিন বছর জোর করে নেতৃত্বে রয়েছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো- এতদিনেও তারা একটি এজিএম করতে পারেনি।’
নির্বাচন ঘিরে হঠাৎ করে নামকাওয়াস্তে এজিএম করে বহিরাগতদের এনে সদস্যদের রক্তাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হাব-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণের কথা ছিল। ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে মোট ভোটার এক হাজার ৪৪ জন।
নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বাধীন ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ এবং সাবেক সভাপতি আব্দুস সোবহান ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট’ নামে দু’টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তবে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানিয়েছেন, আদেশের সার্টিফায়েড কপি এখনো বের হয়নি। তাই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, যে নির্বাচন হবে না।
ভোটার সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি কাল্পনিক, মিথ্যা এবং বানোয়াট অভিযোগ। অভিযোগ করে যে পত্র তারা দিয়েছেন, সেখানে হাব-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতিকে বলা হয়েছে তিনি ভুয়া ভোটার। এটা কীভাবে হয়!