জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমন্যাশিয়াম বরাদ্দ এখন জিমন্যাস্টিকস ও তায়কোয়ান্দোর অনুশীলনের জন্য। এই দুটি ডিসিপ্লিন ছাড়াও কারাতে, জুডো, রেসলিং, ভারোত্তোলনও কখনো কখনো স্থাপনাটি ব্যবহার করে। গতকাল সেই জিমন্যাশিয়ামে গিয়ে দেখা গেল ভয়ংকর অবস্থা। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিমবার, ফ্লোর, প্যারালাল বারস, হরাইজন্টার বারস, পোমেল হর্স অ্যাপারেটাসগুলো। অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের টানা ৪৪ বছর ধরে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার দখল করে রাখা তাবিউর রহমান পালোয়ানের নেতৃত্ব কিছু ব্যক্তি এই তা-ব চালায় বলে অভিযোগ জিমন্যাস্টিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমান বাবলুর, ‘আজ (গতকাল) বেলা ১১টার দিকে পালোয়ান ভাই বেশ কিছু লোক নিয়ে জিমন্যাসিয়ামে এসে আমাদের মূল্যবান সরঞ্জামাদি এদিক সেদিক ছুড়ে ফেলেন। আমরা আলোচনায় বসার কথা বললেও শুনেননি। সামনেই আমাদের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক গেমস আছে। এর আগে এ রকম ঘটনা আমাদের বিস্মিত করেছে। বিষয়টি আমরা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে লিখিতভাবে জানাব।’ আত্মপক্ষ সমর্থন করা পালোয়ানের দাবি, ‘সামনে অনেকগুলো গেমস আছে। অনুশীলনের জন্য বিওএ আমাদের অর্থ দিয়েছে। তাই আমরা ক্রীড়া পরিষদের ক্যাম্প করতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই পুরোটাই জিমন্যাস্টিকস দখল করে নিয়েছে। তাই আমরা তাদের সরঞ্জামাদি সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছি। সবাইকে মিলেমিশেই কাজ করতে হবে।’