সামরিক বিমান থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বোমা হামলার মুখে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী নদীর তীরে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেখানে অস্থায়ী তাঁবু টানিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। সেনাবাহিনীর ভয়ে বাড়ি ফিরতে না পেরে থাইল্যান্ডের নদীর তীরবর্তী এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের এই বাসিন্দারা।
মিয়ানমারের অনেক বাসিন্দা প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে পালিয়ে গেছে। কিন্তু সেখানকার শরণার্থীশিবিরের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় অনেকে মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় ফিরছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাস্তুচ্যুতদের আরও বেশি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
গত শুক্রবার থাইল্যান্ডের মোয়ে নদীর পাশে রয়টার্সের প্রতিনিধিরা দেখেছেন, প্রায় ২ হাজার পুরুষ, নারী এবং শিশু ত্রিপলের নিচে অবস্থান নিয়েছে। মোয়ে নদীর তীরে অন্তত পৃথক চারটি স্থানে তাঁবুর নিচে আশ্রয় নিয়েছে তারা। থাইল্যান্ডের সীমান্তে ভালো ত্রাণসহায়তা পাওয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমারের বাসিন্দারা।
ত্রাণের খাবার এবং পানির বোতল নিতে নদী পেরিয়ে থাইল্যান্ডের সীমান্তে আসা ৪২ বছর বয়সী সাবাল ফিউ বলেন, ‘থাইল্যান্ডের সীমান্তে আমরা ভালো ত্রাণসহায়তা পেয়েছি। কিন্তু সেখানে প্রচণ্ড ভিড় এবং জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে এখানে আমাদের স্বাধীনতা বেশি।’