নারায়ণগঞ্জে লঞ্চের ধাক্কায় ধলেশ^রী নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার ৪ দিন পার হলেও নিখোঁজ ৮ জনের সন্ধান মেলেনি। একই সঙ্গে হদিস পাওয়া যায়নি ডুবে যাওয়া টলারেরও। গতকাল শনিবার চতুর্থ দিনের মতো ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ পৃথক নদীতে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসসহ ৩টি সংস্থা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে। উদ্ধারকাজে গাফিলতির অভিযোগ তুলে গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাস্তার ওপর টায়ার জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ করেছে নিখোঁজদের স্বজনরা।
গত ৫ জানুয়ারি সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় ধলেশ^রী নদীতে বরিশাল থেকে আসা লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবোঝাই ট্রলার ডুবে যায়। এ সময় ৩০-৪০ জন যাত্রীর অনেকে সাঁতরে এবং অন্যান্য নৌযানের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ৮ জন নিখোঁজ হয়।
গতকাল দুপুর ১২টায় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ খেয়াঘাটের সামনে প্রায় এক ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন স্বজনরা। তারা জানান, লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীসহ ট্রলারডুবির ঘটনার চার দিন অতিবাহিত হলেও কাউকে উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরিরা। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ উদ্ধারকারী কোনো সংস্থাই তেমন তৎপরতা দেখায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা স্পিডবোটে নদীতে ঘুরে আর বসে বসে সময় কাটায়। এভাবে পানির নিচ থেকে কিছুই উদ্ধার করা যাবে না। তাদের এ অবহেলা সরকারের সংস্থাগুলোর দুর্নাম করছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘আমাদের ফায়ার সার্ভিস সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশও চেষ্টা চালাচ্ছে।’