নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাসিক নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা উল্লেখ করে তৈমূর অভিযোগ করেছেন, ‘আমি কোনো দলের ব্যানারে দাঁড়াইনি। আমাকে মানুষ দলমত-নির্বিশেষে সমর্থন দিচ্ছে। পত্রিকায় আপনারা দেখেছেন জাতীয় পার্টি বিএনপিসহ অনেকেই আমার সঙ্গে ছিলেন। কাল রাতে ধামগড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে। ট্রাকে ট্রাকে পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে হুমকি দিচ্ছে নৌকার নির্বাচন করার জন্য।’
রবিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মিশনপাড়ায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষ ‘ভয়ে মরে কাপুরুষ লড়ে যায় বীর’ এই নীতিতে অটল থাকবে। স্থানীয় নির্বাচন জাতীয় প্রতীকে করায় মানুষ অভ্যস্ত না। এখানে নির্বাচনটা হচ্ছে নাসিকের ব্যর্থতা ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এখনো সেই ঠিকাদাররা নির্বাচন করছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর বলেন, ‘আমার সঙ্গে সকলে আছে। তারা সুপেয় পানি চায়, তারা জলাবদ্ধতা মুক্ত শহর চায়। তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। ঢাকার নেতাদের চিন্তা বাদ দেয়া উচিত। রাজনীতিতে বাস্তবতা এবং জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে রাজনীতির মাঠে থাকতে হবে। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী তিনবার বলেছে তৈমূর জেতার মতো ক্যান্ডিডেট। সে আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমি বলি প্রধানমন্ত্রীও নারায়ণগঞ্জের ভোটার হলে আমাকেই ভোট দিতেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি পরের বিষয় আগে এটা আমাদের নিজস্ব এলাকা এটা নিজের শহর। সংখ্যালঘু বলতে আমি কিছু বুঝি না সকলে বাংলাদেশের নাগরিক। তবে মসজিদ মন্দিরের জায়গা দখল হয়েছে বলে নারায়ণগঞ্জবাসীর একটা অভিযোগ আছে।
তৈমূর আলম বলেন, ‘আইভী আজ নির্বাচন না করলে তিনি আমার নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক হতেন। এখন নির্বাচনের মাঠে তিনি নিজে দলের ব্যাপারে আরও কথা বলেছেন। তিনি শুধু সরকারি দলকে বিতর্কিত করেননি তিনি আমার নেত্রীকেও অপমান করেছেন। তিনি বলেছেন দুই নেত্রী দেশকে ধ্বংস করেছে। এই দুই নেত্রীকেও তিনি ছাড় দেননি, আমাকে কী ছাড় দেবেন।’
গণসংযোগকালে তার সঙ্গে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক এটিএম কামালসহ কর্মী-সমর্থকেরা।