২৬ ওভারের প্রথম সেশনে কোনো সাফল্য মেলেনি। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই এবাদত হোসেনের বলে উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর বোর্ডে তখন ৯২ রান। উইল ইয়ংয়ের ব্যাট ছুঁয়ে বল যাচ্ছিল প্রথম স্লিপে। কিন্তু দ্বিতীয় সিøপে দাঁড়ানো লিটন দাস নাজমুল হোসেন শান্তর সামনে ঝাঁপিয়ে তা ধরতে পারেননি। হাতে লেগে বল চলে যায় ফাইন লেগে। তা থেকে তিন রান নিয়ে নেন ইয়ং আর ল্যাথাম। সীমানা থেকে ফেরত পাঠানো বল বোলিং প্রান্তে থ্রো করেন নুরুল হাসান সোহান। সেই থ্রো বাঁচতে পারেননি ক্যাচ মিসে ক্ষুব্ধ এবাদত, আসে ৭ রান।
প্রথম টেস্টের জয়ের পর অতি উত্তেজনা থেকে এমন ওভারথ্রো কিনা দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাবে বোলিং কোচ ওটিস গিবসন বলেন, ‘আমি টেস্ট জয়ের সঙ্গে ফিল্ডিংয়ে যোগসূত্র খুঁজতে চাই না। টেস্ট জয়টা আমরা গত সপ্তাহে সত্যিই উদযাপন করেছি, এরপর সামনে তাকানোর চেষ্টা করেছি। ওটা ছিল (ওভারথ্রো) আমাদের দিক থেকে বাজে ক্রিকেট, দুটি ওভারথ্রোই।’ তিনি স্বীকার করেন প্রথম টেস্টে ভালো বোলিংয়ের রেশটা ক্রাইস্টচার্চের প্রথম দিন ধরে রাখতে পারেনি বোলাররা, ‘গত সপ্তাহে আমরা গোছানো বোলিংয়ের যে নজির দেখিয়েছিলাম, এবার তা পারিনি। ল্যাথাম খুব ভালো খেলেছে। সকালে আমাদের অনেক ভালো বল সে ছেড়েছে এবং আমাদেরকে বাধ্য করেছে তার শরীরে বল করতে। আর কনওয়ে অবিশ্বাস্য ফর্মে আছে। সে গিয়ে সবকিছুই সহজ করে তুলেছে।’ বোলিংয়ের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার বলেন, ‘আজকে আমরা বাউন্ডারি বল বেশি করেছি, অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে বল বেশি করেছি। হয় আমরা শর্ট বল করেছি এবং কাট শট হজম করেছি অথবা বেশি ফুল করেছি, ওরা ড্রাইভ করেছে। দুটির একটি করা যায়, দুটিই করা যায় না। নিউজিল্যান্ডকে ডাউন দ্য গ্রাউন্ড ও উইকেটের দু’পাশেই স্কোর করার সুযোগ দিয়েছি। আমরা সব সময় লেংথ নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে কথা বলেছি। আমার মন্ত্র হলো, লেংথ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্কোরিং বাগে রাখা যায় না।’ তবে গিবসন আশাবাদী বোলাররা আজ ফিরে পাবে নিজেদের, ‘সবাইকে তরতাজা পাব এবং দেখা যাবে, আজকের চেয়ে পারফরম্যান্সে উন্নতি করতে পারি কিনা।’ একই আশাবাদ স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথেরওÑ ‘আমি নিশ্চিত, এই ছেলেরা ঘুরে দাঁড়াবে এবং তারা নিজেদের সেরাটা দেখাবে।’