করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়া রোধে বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার।
সোমবার এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ নিষিদ্ধ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
এর ফলে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে। ১৬ জানুয়ারি ওই সিটিতে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে জমে উঠেছে নির্বাচনি লড়াই। আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং তৈমূর আলম খন্দকার।
সিটি করপোরেশন নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটের ৩২ ঘণ্টা আগে বন্ধ হয়ে যায় প্রচার। সেই হিসেবে শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত নিজেদের পক্ষে প্রচারের সুযোগ পাচ্ছেন প্রার্থীরা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সোমবার সন্ধ্যায় জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো এলাকায় বিশেষ কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সে ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবে।
তবে এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিউর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্বাচন বন্ধের বিষয়ে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশ পাইনি।’
কিছু সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায় মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমবার দেবনাথ বলেন, সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের বিষয়টি মঙ্গলবার কমিশনে উত্থাপন করা হবে। এ বিষয়ে কমিশন যে সিদ্ধান্ত দেবেন সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।