করোনা মহামারির নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে সোমবার ১১ দফা বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। যা ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর আওতায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে রয়েছে। এ সময়ে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচি বিষয়ে কী করবে সে সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপি।
সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারের জারি করা নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে দলের জেলা পর্যায়ে যে সমাবেশ চলছে তা স্থগিত করা হবে না কি চালু থাকবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোমবার রাতে দেশ রূপান্তরকে এ কথা জানিয়েছেন দলটির একাধিক স্থায়ী কমিটির সদস্য।
সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আব্দুল মইন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসার অনুমতির দাবিতে গত সপ্তাহে নতুন কর্মসূচি চূড়ান্ত করে দলটির স্থায়ী কমিটি।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাকি ৩২ জেলায় সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি।
গত সোমবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটি এক ভার্চুয়াল সভায় এ কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানান স্থায়ী কমিটির এক সদস্য।
তখন তিনি বলেন, ইতিপূর্বে আমরা ৩২ জেলায় সমাবেশ করেছি। এবার বাকি ৩২ জেলায় সমাবেশ করব। এরপর আবার আলোচনা করে অন্য কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।