সরকারি দলের প্রার্থীকে সুবিধা দেয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিলেন এসপি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে পুলিশের বিরুদ্ধে সরকারি দলের প্রার্থীকে সুবিধা দেয়ার বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম।

তৈমূর আলম খন্দকারের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে।

নাসিক নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন। আগামী ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনের ভোট হওয়ার কথা।

এসপি জায়েদুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে আছে। বিশৃঙ্খলা হওয়ার মতো কোনো ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নেই।

তিনি বলেন, তবে দুই একটি ওয়ার্ডে টানটান উত্তেজনা আছে। সেগুলোর দিকে বিশেষ নজর রাখছি। সেইভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালনা করা হচ্ছে।

পুলিশের চলমান অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা পুলিশের নিয়মিত কাজ। পুলিশ সব সময় অভিযান চালায়। বিশেষ করে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী, বহিরাগত সন্ত্রাসী, বড় কোন অপরাধী, বিভিন্ন মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এটা নিয়মিত কাজের অংশ।

তিনি জানান, অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে, পুলিশ সরকারি দলের প্রার্থীকে সুবিধা দিতে কাজ করছে অভিযোগ করে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, এ জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশীর নামে হয়রানি করা হচ্ছে।

তৈমূরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসপি বলেন, ৭ জন মেয়র প্রার্থী এখানে নির্বাচন করছেন। তার মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এ ধরনের অভিযোগ করছেন। এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন বলে আমরা মনে করি।

তিনি বলেন, পুলিশ কোন নির্দিষ্ট প্রার্থী বা কারও পক্ষে বিপক্ষে কাজ করে না। পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ নিয়ে নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য করার জন্য যা যা করণীয় সেই কাজ করে থাকে। আমরাও তাই-ই করছি।

তিনি বলেন, পুলিশ বর্তমানে নির্বাচনে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্বাচনে যেকোন ধরনের বিশৃঙ্খলার ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে আছে।