ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভিগুলো বন্ধ রাখতে চাপ দেওয়া হচ্ছে: তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রচারণার শেষদিনে নগরীর বন্দর ২২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণা চালিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার।

শুক্রবার বিকেলে বন্দর সিরাজদৌলা ক্লাবের মাঠ থেকে বিপুলসংখ্যক কর্মী সমর্থক ও নর-নারীরা এতে অংশ নেন।

এ সময় তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমি বন্দরবাসীর ভালোবাসায় নিজেকে বিলিয়ে দিলাম। আমি জয়ী হই বা না হই আপনাদের পাশে আমি ছিলাম, আছি, থাকব। আপনারা আমাকে চমকে দিয়েছেন এই আয়োজনে। বন্দরবাসীর নাসিকের ওপর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও আমার প্রতি ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি এই মিছিল। আমি ভোট চাই দোয়াও চাই। আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ফলাফল নিয়ে কেন্দ্র ছাড়বেন, এটাই আমার বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি বন্ধ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কক্ষের সিসিটিভি বন্ধ রাখতে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধানদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। আমি মনে করি, ভোট চুরিতে সুবিধার জন্যই এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকেই সিসিটিভি স্থাপনের জন্য বলা হয়, সেখানে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি বন্ধের নির্দেশনার অর্থ কী দাঁড়ায়, সেটা না বোঝার কিছু নেই।’

বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুল জানান, করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে ইসির কথা অনুযায়ী দুদিন আগেই নির্বাচনী শোডাউন শেষ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তবে কোনো পরিকল্পনা না থাকলেও বন্দর উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগে হাজার হাজার মানুষ তাকে চমকে দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে সেখানে গিয়ে তৈমূর যখন হাজির হলেন তখন হাজার হাজার মানুষ চারিদিক থেকে মিছিল নিয়ে এসে তাকে চমকে দিয়েছেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম টিটু জানান, আমরা কয়েকজন ছিলাম তার সঙ্গে। আমাদের ডেকে চমকে দিয়েছেন এখানকার ভোটার ও নেতা কর্মীরা। বিএনপি, জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ, নাগরিক ঐক্য, সর্বস্তরের মানুষ এতে যোগ দেয়। হাজার হাজার মানুষের সমাগমে চমকে ওঠেন তৈমূর।