ঢাকায় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু

৭০টি দেশের ২২৫টি চলচ্চিত্র নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ৯ দিনব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। গতকাল শনিবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে পর্দা উঠেছে এই উৎসবের। উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে লেবানন ও জার্মানির যৌথ প্রযোজিত এবং মারিয়া ইভানোভা জেড পরিচালিত ‘দ্য অ্যাঙ্গার’ চলচ্চিত্রটি। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে উৎসব।

১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে আসছে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ।

এবারের ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘বেটার ফিল্ম,  বেটার অডিয়েন্স, বেটার সোসাইটি’। উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।

এবারের উৎসবে অংশ নেওয়া পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১২৯টি, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ৯৬টি।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আছে ৪০টি, যার মধ্যে ২২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন এবং ১৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য। এছাড়া চলচ্চিত্র উৎসবে ১৬-১৭ জানুয়ারি ঢাকা ক্লাবের স্যামসন লাউঞ্জে ‘অষ্টম ঢাকা আন্তর্জাতিক উইমেন ফিল্ম মেকারস্ কনফারেন্স ২০২২’ এবং ১৬-১৯ জানুয়ারি ২০২২ অলিয়ঁস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তনে ওয়েস্ট মিট ইস্ট : চিত্রনাট্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন ডি ঢাকা, স্টার সিনেপ্লেক্স, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, সুফিয়া কামাল জাতীয় পাবলিক লাইব্রেরি এবং প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাকাডেমি মিলনায়তনেও চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে।

উদ্বোধনীপর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ইতিবাচক ও সুস্থধারার জাতীয় চলচ্চিত্র সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে এই উৎসব।’

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘চলচ্চিত্র একটি সমাজের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সেই সময় চলচ্চিত্রকেই তারা রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন এবং সার্থক হয়েছিলেন।’