প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

গত ৯ জানুয়ারি দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় ‘একসঙ্গে দুই চাকরি স্থপতির’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাউজ অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) সহকারী আর্কিটেক্ট ড. সৈয়দা সায়কা বিনতে আলম। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় দুই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে পদোন্নতি নিয়েছি’ এমন তথ্য সত্য নয়। আমার পদোন্নতিও হয়নি। আমি চাকরিজীবনে কোনো প্রকল্পের দায়িত্ব পালন করিনি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে শাস্তির জন্য নথি উপস্থাপনের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও বলেন, ‘আমার নামে কোনো মাইক্রোবাস বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অফিসে আসা-যাওয়ার জন্য মাইক্রোবাস ব্যবহার করতাম। এ ছাড়া প্রকল্প কর্মকর্তা হিসেবে অফিসে কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি অসত্য ও অপ্রাসঙ্গিক।’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ দালিলিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। ড. সৈয়দা সায়কা বিনতে আলমের বিরুদ্ধে তার নিজ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত করেছে। সেখানে একসঙ্গে দুই চাকরিতে থাকা, আর্থিক অনিয়ম, মাইক্রোবাস ব্যবহার করা, পদস্থ কর্মকর্তার কক্ষ ব্যবহারসহ বিস্তর অভিযোগ উঠে এসেছে। সম্প্রতি তদন্ত প্রতিবেদনটি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। মূলত প্রকাশিত সংবাদটি প্রতিবেদনের আলোকে তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিবেদনে অভিযুক্ত এ নারী কর্মকর্তার প্রতিটি অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনি নিজেও সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তুলে ধরে অনেক কিছু স্বীকার করেছেন। এই কর্মকর্তার কথোপকথন দেশ রূপান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে। সংবাদে তার কোনো খন্ডিত বক্তব্য ছাপা হয়নি। উল্লেখ্য, প্রতিবাদলিপিতে বলা ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।