গ্রেপ্তারের পর থানায় এক নারীর সঙ্গে আমার ছবি তোলা হয়: আদালতে মাদানী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম মাদানী বুধবার আদালতে দাবি করেছেন,  তাকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ থানায় এক নারীর সঙ্গে তার বেশ কয়েকটি ছবি তুলেছে। তা ছাড়া তার বক্তৃতার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তার নামে মিথ্যা বক্তৃতা প্রচার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী ও উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গাজীপুরের গাছা থানায় দায়ের মামলায় বুধবার ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল ‘শিশু বোক্তা’ নামে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আশ সামস জগলুল হোসেন তাকে অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর মাদানী দোষ স্বীকার করেননি। তিনি সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

গত বছরের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে মাদানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে একই বছরের ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার পূর্বতলা এলাকার পৈতৃক বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)  তার বিরুদ্ধে গাছা থানায় ডিএসএ আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশের মতে, মাদানি বলেছেন তিনি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে ‘প্রত্যাখ্যান’ করেছেন। তিনি ইউটিউবের মাধ্যমেও ঘৃণামূলক বার্তা প্রচার করেছিলেন বলে অভিযোগ।

তার বিরুদ্ধে গাজীপুর ও তেজগাঁও থানায় আরো তিনটি মামলা রয়েছে।